Posts

কুহেলিকা

 আমি তো ভাবতেই পারছি না আমার গোপন প্রেমিকটি তুমি বেরবে । চরম উত্তেজনার সাথে বলে উঠল রাফায়েল ।  তার কথা শুনে  অপর পাশের নারীমূর্তিটি উত্তরে  শুধুমাত্র  একটা মৃদু  হাসি দিল। তারপর  টি টেবিলের ওপর রাখা  ওয়াইনের বোতল থেকে  খানিকটা  ওয়াইন  গ্লাসে ঢেলে নিয়ে  চুমুক  দিতে দিতে বলল,  “তো কাকে আশা করছিলে? ”   “উমমম সেরকম তো ভেবে দেখিনি কিন্তু তোমার মতই একজন সুদর্শণা, চিত্তাকর্ষক  সেক্সি রমণীকেই আশা করছিলাম। আর আমার আশা তোমাকে দেখে পূরণ  হয়ে গেল। কিন্তু তুমি আমাকে এই রিসোর্টে নিতে বললে কেন?   ” “ কেন সুইটহার্ট  তোমার বুঝি জায়গাটা পছন্দ  হয়নি?  তুমিই তো বলেছিলে আমার সাথে একান্তে সময় কাটাতে চাও ।  তাইতো আমি শহর থেকে  দূরে  এই রিসোর্টটা নিতে বললাম। ” “হ্যাঁ, রিসোর্টটা বেশ সুন্দর । আমারো বেশ পছন্দ  হয়েছে।  কিন্তু  কেমন যেন শুকা শুকা  । বলেই সামনের নারীমূর্তিটির কানের মাঝে হালকা কামড় বসিয়ে  দিল। ”  “উফ আর তর সইছে না বুঝি? বলে ওয়াইনের  বোতল ...

এমনই শ্রাবণ ছিল

এই এতো নড়াচড়া করছো কেন?একটু চুপ করে থাকতে পারছো না?  “ঠিক আছে আর নড়বো না। ” কিন্তু মাদিহা তার বলা এই কথা খুব অল্প সময়ের জন্যই রাখতে পারলো। কিছুটা সময় যেতে না যেতেই সে আবার নড়াচড়া করছে আর উসখুস করছে। তার এই উসখুসের মাত্রাকে কিছুটা বাড়িয়ে দিতে  শুভ্র আবারও বলে উঠল,  “আবারও নড়াচড়া করছো তুমি। এভাবে কেউ নড়াচড়া করে? যদি নড়াচড়া করো তবে আলাদা বালিশ নিয়ে শুয়ে পড়ো। আমার চিবুকের মধ্যে আর থাকতে পারবে না। ” “এই এই কি বললে তুমি তোমার বুকে থাকতে পারবোনা?  একশো বার থাকবো খুব আসছে আমার বুকে থাকতে পারবে না। ”  “উফ সারাদিন অফিস এক বসের জ্বালা আর বাসায় তুমি। সারাদিন অফিস করেও শান্তি নেই। বাসায় এসে যে একটু ঘুমাবো তারও কোনো উপায় নেই। নিজেও ঘুমাবে না আর আমাকেও ঘুমাতে দিবে না বেশ জোরে জোরে বলে মুখ লুকিয়ে হাসছে শুভ। ” মাদিহার এই উসখুসের একমাত্র কারণ বাহিরের ঝুম বৃষ্টি । বৃষ্টির সাথে মাদিহার যেন এক অন্তরঙ্গ সম্পর্ক।   বৃষ্টি নামলে সে যেন নিজেকে কোনো মতেই ঠিক রাখতে পারে না। বৃষ্টি পানির শীতল স্পর্শ তার চাই। আর যতক্ষণ না সেই শীতল স্পর্শ সে পাচ্ছে ততক্ষণ তার শান্তি নেই । এতটাই বৃষ...